দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আজকে এই দুই সংসদ সদস্যকে চিঠি পাঠানো হযেছে। কামরুল আশরাফ খানকে ১১ এপ্রিল ও মিজানুর রহমানকে ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
দুদক কর্মকর্তা মো. একরামুল রেজা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কামরুল আশরাফ সার পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থেকে অবৈধভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়ার নাম করে আর পৌঁছে দেননি। পরবর্তী সময়ে এগুলো বিক্রি করে দেয় অবৈধ অর্থের মালিক হয়েছেন। এই অর্থের ভাগ সরকারি লোকজনকেও দেওয়া হয়। এই অবৈধ অর্থ দিয়ে বাড়ি গাড়িসহ প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ আসার পর প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।’
খুলনা-২-এর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে দুদকে উপপরিচালক মঞ্জুর মোরশদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজ নিজ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে করিয়েছেন। নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া মাদক ব্যবসা করে শত শত কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।