এডিসি ওয়াহিদুল হক বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে আমরা দশজনকে আটক করেছি। তাদের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করবো। তারপর আইন আনুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিরপরাধী কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে কিনা, জানতে চাইলে এডিসি বলেন, ‘আমরা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাচ্ছি, কেবল তাদেরই গ্রেফতার করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানের সময় মোহাম্মদপুরের বাঁশবাড়ি এলাকার একটি বস্তিতে থাকা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মনিরা বেগমের বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন পুলিশ সদস্যরা। বাসার ভেতরে এয়ারকুলার, এলইডি টিভি, ফ্রিজ, অ্যাটাচ বাথরুম দেখে পুলিশ সদস্যরা অবাক হন। বাসার ভেতরে এলোমেলো কাপড়চোপড় পড়ে আছে। কিছু ইয়াবার প্যাকেট ও রাবার পাওয়া গেছে। বাসার ভেতরে কেউ ছিল না। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মনিরা বেগম গা ঢাকা দিয়েছেন। তিনি বাসায় থাকতেন না।’
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জামাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মনিরা বেগমের বিরুদ্ধে দশটি মাদক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।’