ঢামেকের অধ্যক্ষ বলেন, ‘গত রাতের ঘটনায় আমরা সাত সদস্যের একটি কমিটি করেছি। কমিটি বিষয়টি তদন্ত করবে। কারা দোষী, কতটুকু দোষী, সেটি দেখে কমিটি রিপোর্ট দেবে।’
আহতদের প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, ‘প্রথমে তিনজন চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে আজ সকালে গিয়ে দেখি চার-পাঁচজন ছাত্রও আহত হয়েছেন। তারা চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিন-চারজন অবজারভেশনে আছেন।’
সংঘর্ষের মূল কেন্দ্রে আসলে কারা ছিল, এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, ‘আল্টিমেটলি দেখা যাচ্ছে, একটি গ্রুপে শিক্ষার্থী, অন্য গ্রুপে চিকিৎসকরা ছিলেন। তবে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে এই মারামারির ঘটনাটি ঘটেনি।’
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটি তো হাসপাতালের কোনও ঘটনা নয়। এটি কলেজের ঘটনা। এটা রাতে ঘটেছে। এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। সবকিছু ঠিক আছে।’
জানা গেছে, নেফ্রোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান রিজভী (৩৫) হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী অবজারভেশনে আছেন। এরমধ্যে চিকিৎসক হলেন ইউরোলজি বিভাগের রেজিস্ট্রার এইচ এম আফজালুল হক রানা (৩৮), নাক, কান ও গলা বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল্লাহ আল মারজুত (৩২)।
প্রসঙ্গত, ৭৩তম ডিএমসি'ডে উপলক্ষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান পালিত হয়। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলার সময় সামনের সিটে বসা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।