মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক মো. আলী হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা, মুক্তার ভাই আল আমিন ওরফে জনিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়েছে। তবে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অজ্ঞাত আসামিরা জড়িত আছে বলে এ মামলার বাদী নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করেন। আদালত আগামী ৬ আগস্ট নারাজিরর বিষয়ে শুনানির জন্য ঠিক করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/১ বাড়িতে শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার ছেলে শাওনকে (‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থী) গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আদা, রসুন ও পেঁয়াজ আমদানিকারক।
ওই ঘটনায় গত ২ নভেম্বর নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়।