আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
এই আদেশের ফলে বুধবার (২৫ জুলাই) এ আসনটিতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে কোনও বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
এর আগে গত ১১ মে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলামের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।
তবে, এর আগে গত ৩০ এপ্রিল সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়, চিলমারী উপজেলার চারটি ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম-৪ আসনে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই চার ইউনিয়ন হলো, চিলমারী, রমনা, রানীগঞ্জ ও থানাহাট।
কুড়িগ্রাম-৩ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হলেও উপ-নির্বাচন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনি সীমানা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। পূর্ববর্তী সীমানা অনুযায়ী এ আসনের বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮১১ জন। আসনটিতে উলিপুর উপজেলার আলগা ইউনিয়ন বাদ দিয়ে বাকি অংশ এবং চিলমারী উপজেলার রমনা, থানাহাট, চিলমারী ও রানীগঞ্জ ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ জুন রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের নির্বাচনের জন্য একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৪ জুন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। ২৬ জুন মনোনয়নপত্র বাছাই ও ৩ জুলাই প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামী ২৫ জুলাই ওই আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এমএ মতিন এবং জাপার প্রার্থী ডা. আক্কাছ আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পূর্ববর্তী সীমানা অনুযায়ী এ আসনের বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮১১ জন। আসনটিতে উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়ন বাদে বাকি অংশ এবং চিলমারী উপজেলার রমনা, থানাহাট, চিলমারী ও রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত।
অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রিট আবেদনকারী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান রমনা ইউনিয়নের বাসিন্দা। ৩০ এপ্রিলের গেজেট মতে তিনি কুড়িগ্রাম-৪ এর বাসিন্দা হলেও এ নির্বাচনে তাকে ভোট দিতে বলা হয়েছে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে। তাই তিনি এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এ অবস্থায় নির্বাচনও স্থগিত চাওয়া হয়েছিল। নির্বাচন আগামীকাল বুধবার (২৫ জুলাই)। আদালত রিট খারিজ করায় উপ-নির্বাচন হতে বাধা থাকছে না।’