অন্য আসামিরা হলেন তরিকুল ইসলাম, ফারুক হাসান, জসিম উদ্দিন, মশিউর রহমান ও সোহেল। ছয় আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও জাহিদুর রহমান। আবেদন গ্রহণ করে শুনানির জন্য ২৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন বিচারক।
আসামি পক্ষের আইনজীবী জাহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাশেদের বিরুদ্ধে ভিসির বাড়ি ভাঙচুর ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির দুই মামলা; জসিম, মশিউর ও সোহেলের বিরুদ্ধে নাশকতা ও ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের দুটি মামলা এবং তরিকুল ও জসিমের বিরুদ্ধে ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের মামলায় জামিনের আবেদন করা হয়েছে।’
গত ৮ এপ্রিল কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে দায়িত্বরত পুলিশকে মারধর, কর্তব্যে বাধা, পুলিশের ওয়াকিটকি ছিনতাই ও ঢাবি ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার অভিযোগ ওঠে। এরপর ১০ এপ্রিল শাহবাগ থানায় চারটি মামলা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে কটূক্তিসহ মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় গত ১ জুলাই শাহবাগ থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক আল-নাহিয়ান খান জয়।