প্রতিনিধি দলে ছিলেন ধানমন্ডি আইডিয়ালের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান তূর্য, নিউ পল্টন লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রোহান ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান অপু। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানি আন্দোলনরত এই তিন শিক্ষার্থীকে আওয়ামী লীগ অফিসে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর দুইটা থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া চলতে থাকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। পৌনে ৬টার দিকে আওয়ামী লীগ অফিসে কাউকে আটকে রাখা হয়েছে কিনা, তা সরেজমিন দেখা আসার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানি। এরপর তিন শিক্ষার্থী সেখানে যান। পরে সন্ধ্যায় পৌনে সাতটার দিকে তারা বের হয়ে আসেন। এ সময় আওয়ামী লীগ অফিসে কোনও শিক্ষার্থীকে আটক অবস্থায় পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা। একইসঙ্গে তারা জিগাতলা বিজিবির-২ গেটে এসে গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানি বলেন, ‘‘কোনও শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলা ও চারজনকে ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটেনি। ‘গুজব’ ছাড়িয়ে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে।’