বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান।
পরে এহসানুর রহমান বলেন, ‘এ মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখিয়ে জামিন আবেদনের শুনানির জন্য বেশ কয়েকবার দিন ধার্য করেন কুমিল্লার আদালত। কিন্তু বারবার দিন নির্ধারণ করায় এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ছয় মাসের জামিন পান। এছাড়াও এর আগে এ মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। সেই আবেদন এখন শুনানি অবস্থায় রয়েছে।’
গত ৬ আগস্ট বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন আদেশ দেন। কিন্তু সেই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে এর ওপরে শুনানি হয়। শুনানি নিয়ে আদেশের জন্য ১২ আগস্ট দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।
এর আগে ২০ দলীয় জোটের লাগাতার হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। এতে ৮ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও নাশকতার পৃথক দুটি মামলা করেন।