সোমবার (১৩ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, শহিদুল আলমকে চিকিৎসা দিতে বলা হাইকোর্টের আদেশ এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। তাই এ আদেশ স্থগিত আবেদনের আর কার্যকারিতা থাকছে না। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সকালে শহিদুল আলমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ৭ দিনের রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে ও তার সুচিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ডিআইজি (ডিবি) ও রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিবাদী করা হয়। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত শহিদুল আলমকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন জানিয়েছিল।
গত ৭ আগস্ট শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে রমনা থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলার শুনানিকালে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। ওই ঘটনায় রমনা থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। গত ৬ আগস্ট ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।