সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘আব্দুল কুদ্দুস বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের অফিস সহকারী। সে নার্সদের প্রশিক্ষণে বিদেশ পাঠানোর আবেদনপত্রে মন্ত্রী ও সচিবদের স্বাক্ষর জাল করে জমা দিতো। এজন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ২০-৩০ হাজার করে টাকা নিতো। এই ঘটনায় গত বছর শেরে বাংলা থানায় একটি মামলা হয়। তখন একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তবে মূল হোতা কুদ্দুস। সে স্বাক্ষর জাল করে জালিয়াতি করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।’