এ সময় তার হেফাজত থেকে ১০টি কষ্টি ও বেলে পাথরের মূর্তি, ১৮টি বিভিন্ন ধরনের ধাতব মুদ্রা, একটি প্রাচীন তাম্রলিপি ও কয়েকটি প্রাচীন স্মারক উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির ডিসি জানান, উদ্ধারকৃত প্রত্নসম্পদ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এজেন্টদের মাধ্যমে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে মনিরুল ইসলাম নিজ হেফাজতে রেখেছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. সুফি মুস্তাফিজুর রহমান ও ঐতিহ্য অন্বেষণ উপ-পরিচালক শারমিন রেজওয়ানার নেতৃত্বে একটি দল উদ্ধারকৃত এসব পুরাকীর্তি পরিদর্শন করেন। এসব পুরাকীর্তি আসল বলে প্রাথমিকভাবে তারা মত দিয়েছেন। তারা বলেন, উদ্ধারকৃত প্রতিটি প্রত্ননিদর্শনই দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য অমূল্য সম্পদ। এরমধ্যে কিছু কিছু নিদর্শন অত্যন্ত দুর্লভ।