প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘দক্ষতা অর্জনের জন্য যুগোপযোগী ও বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণের কোনও বিকল্প নেই। কেননা, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা একটি সুবিন্যস্ত ব্যবস্থাপনা ও দাফতরিক কর্মপরিকল্পনার সক্ষমতা অর্জনসহ সামগ্রিক দক্ষতা লাভ করেন।’
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এ প্রশিক্ষণের ফলে পরস্পরের মধ্যে যে মিথস্ক্রিয়া হয়েছে, তা কর্মক্ষেত্রে অনেক উপকারে আসবে। আইটি সংক্রান্ত বিষয়ে তারা যে জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণার্থীরা বিদ্যমান আইন সম্পর্কেও অনেক কিছু জেনেছেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এ প্রশিক্ষণ কোর্স তাদের আইটি সম্পর্কে ধারণাকে আরও বহুমাত্রিক ও বিস্তৃত করেছে। এতে অফিসের কাজের গুণগতমান বেড়ে যাবে।’
আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি‘র বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী।
ইউএনডিপি‘র বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে কর্মরত ৬০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রত্যেকের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।