উপ-কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন অ্যাডভোকেট ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, মো. আহসান উল্লাহ ও শেখ মোহাম্মদ মাজু মিয়া। এদের সবাই বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী।
সাব কমিটি গঠনের বিষয়ে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে বসা (গত ৯ অক্টোবর) নিয়ে সমিতির সাধারণ সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এই বিশৃঙ্খলার জন্য আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন দায়ী কিনা, তিনি অপরাধ করেছেন কিনা, শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন কিনা, নাকি অন্যের প্ররোচনায় এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বা অন্যের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় তদন্ত করে একটি রিপোর্ট তৈরি করে ১৫ দিনের মধ্যে সমিতির কাছে পেশ করার জন্য ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর আপিল বিভাগে নিয়োগ পান তিন বিচারপতি। সেই নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ডাকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। সোমবার দুপুরে সমিতি ভবনের দক্ষিণ হলে সম্মেলন শুরু হয়। মূলত এই হলটি সাধারণ আইনজীবীদের বসার নির্ধারিত স্থান। কিন্তু চেয়ার-টেবিল সরিয়ে সেখানে সংবাদ সম্মেলন করায় বিপাকে পড়েন সাধারণ আইনজীবীরা। এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমনসহ অন্য আইনজীবীরা কথাকাটাকাটিসহ হট্টগোলে জড়িয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তা তদন্ত করার বিষয়ে জানিয়েছিলেন।