হিসাব গরমিলের অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—তিতাসের হিসাব বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. হুমায়ুন কবির খান, উপ-ব্যবস্থাপক নাজমুল হক (বেতন ও তহবিল বিভাগ) ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুর রশিদ এবং গ্যাস কারচুপির অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—মিটারিং ও ভিজিল্যান্স টিমের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. মহিদুর রহমান এবং পাইপলাইন নির্মাণ বিভাগের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা খান। গাজীপুরের কুনিয়া এলাকার যমুনা সিএনজি স্টেশনে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের এই অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিতাসে দুর্নীতি নিয়ে পেট্রোবাংলা দুটি তদন্ত কমিটি করে। ওই তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিতাসের সাবেক একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, তিতাসের কাজের পরিধি অনেক বড়। এখনও প্রচুর অবৈধ সংযোগ রয়ে গেছে। দুর্নীতিরও প্রচুর অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে।