আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানির জন্য উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে বিএনপি নেতাদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মো. মাসুদ রানা, এ কে এম এহসানুর রহমানসহ অনেকে।
এর আগে, গত ২৫ অক্টোবর শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আপিল আদালতকে বলেন, ‘আমরা হাইকোর্টের আদেশের কপি হাতে পেয়েছি। এখন এ বিষয়ে নিয়মিত আপিল করতে চাই। তাই আবেদনটি আজ শুনানির জন্য নট টু ডে (আজ নয়) আদেশ দিন। এরপর আদালত নট টু ডে আদেশ দেন।’
হাতিরঝিল থানায় বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধাদান ও নাশকতার অভিযোগে গত ১ অক্টোবর মামলা করে পুলিশ। পরে সে মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান বিএনপির সাত নেতা। মামলাটির পুলিশ প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত তাদের এ জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্ত নেতারা হলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমানউল্লাহ আমান ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির প্রায় সব সিনিয়র নেতাসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপি নেতা ও এর অঙ্গ সংগঠন রাজধানীর মগবাজার রেলগেট এলাকায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের কাজে বাধা , পুলিশকে আক্রমণ, যানবাহন ভাঙচুর ও ক্ষতিসাধন করে। এছাড়া জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বাঁশের লাঠি, পেট্রোলবোমা, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ, কাচের টুকরা ও ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।