কমিটিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আইসিডিডিআরবি, ব্যুরো অব রিসার্চ টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশন (বিআরপডিসি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রো বায়োলজিক্যাল সায়েন্স বিভাগের একজন করে প্রতিনিধি রাখতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও নিরাপদ পানি সরবরাহে কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, ওয়াসার এমডিসহ ৮ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ঢাকাসহ সারা দেশে সরবরাহকৃত ওয়াসার পানি অনিরাপদ। পানিতে ব্যাকটেরিয়াসহ নানা ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেইসব প্রতিবেদন সংযুক্ত গত ১৪ অক্টোবর আমি হাইকোর্টে রিট আবেদন করি।