রবিবার (১১ নভেম্বর) সকালে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিহত আরিফের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আদাবর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছি। তা পর্যালোচনা চলছে।’
প্রসঙ্গত, শনিবার মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিংয়ের সামনে আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং সাদেক খানের সমর্থক দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সুজন (১৮) নামে এক পথচারী পিকআপের চাপায় আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় আরিফ (২০) নামে আরেকজন যুবক আহত হন। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন:
মনোনয়নপত্র নিতে যাওয়ার সময় নানক ও সাদেক খানের সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ২