মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) সকালে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ৬৭তম তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সংস্থাটির প্রধান সমন্বয়ক এম এ হান্নান খান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সংস্থার জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক সানাউল হক।
হান্নান খান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের আগে মধু মিয়া এবং তার বংশের লোকজন মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি বানিয়াচংয়ের মুরাদপুর ইউনিয়নে পিস কমিটি ও মধু বাহিনী নামে একটি রাজাকার দল গঠন করে। তখন তিনি এ বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি পলাতক ছিলেন। ১৯৭৬ সালে গ্রামে ফিরে এসে বিএনপিতে যোগদান করে এবং ২০১৬ সালে বিএনপি রাজনৈতিক দল থেকে বানিয়াচং থানাধীন মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে জয়ী হন। বর্তমানে তার এই ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি হিসেবে আছেন।
তিনি আরও বলেন, আসামি মধু মিয়ার বিরুদ্ধে একাত্তরে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণসহ ৫টি অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে তদন্ত শুরু হয়। এরপর গত বছরের ২৩ মে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।