চার্জশিটে অন্য যাদের আসামি করা হচ্ছে, তারা হলেন জুবেদা খাতুন, মাজেদা বেগম, মো. খোকা মিয়া, মো. আকরাম হোসেন জুয়েল ও মো. রুহুল আমিন।
অনুমোদিত চার্জশিটে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ভালুকার পাঁলগাও মৌজার এস.এ ১২৮৯ দাগের বনবিভাগের গেজেটভুক্ত ১২৭ শতাংশ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করেন। এর মধ্য দিয়ে তারা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।