প্রসঙ্গত, দুদক আইনের সংশোধিত বিধিমালার গেজেট রবিবার প্রকাশিত হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, করদাতার আয়কর রিটার্ন ফাইল ও ব্যাংক হিসাব সরাসরি তলব করতে পারবে দুদক। এছাড়া মামলা বা রায় হওয়ার আগে এমনকি মামলার আগেও সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের সম্পদ ক্রোক বা ফ্রিজ করা যাবে। আর দুদকের অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিদ্যমান সময়সীমা হবে ১৫ দিনের পরিবর্তে ৪৫ দিন।
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে না দিয়ে সরাসরি বিশেষ জজ আদালতে দুর্নীতি মামলার চার্জশিট দাখিল করা যাবে। গেজেটে আরও বলা হয়েছে থানায় নয়, এখন থেকে দুদকের আসামি থাকবে নিজস্ব হাজতখানায়।
সংশোধিত বিধিমালার অনুযায়ী, কেউ যদি থানায় দুর্নীতির অভিযোগ করেন, সেক্ষেত্রে পুলিশ সেটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে রেকর্ড করবে। পরবর্তী সময়ে তা অনুসন্ধানের জন্য দুদকে পাঠাবে। শুধু তাই নয়, দুদক চাইলে গুরুত্ব বিবেচনায় যেকোনও অভিযোগ দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান না করে সরাসরি মামলা করতে পারবে।