আইনজীবী জানান, শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য কোনও সমস্যা না হলে দুদকে হাজির হবেন বাছির। গত সপ্তাহে নোটিশ পাঠিয়ে বাছিরকে তলব করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ জুন নোটিশ পাঠিয়ে ১ জুলাই প্রথম দফায় বাছিরকে তলব করে দুদক। তবে ওই দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে উপস্থিত হননি তিনি।
এদিকে, ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক। ওই মামলায় অবসর প্রস্তুতিকালীন ছুটিতে থাকা দুদক পরিচালক আব্দুল আজিজ ভূইয়াকে আসামি করা হচ্ছে বলে দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র নিশ্চিত করেছে। মামলায় পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান, দুদক কর্মকর্তা বাছির ছাড়া আরও কয়েকজনকে আসামি করা হবে।
ডিআইজি মিজান ও বাছিরের ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান কমিটি গঠন হয় গত ১৩ জুন। তিন সদস্যের এ কমিটির প্রধান দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। অন্য দুই সদস্য হলেন, সংস্থাটির সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান ও মো. সালাউদ্দিন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে ডিআইজি মিজান গ্রেফতার হন গত ১ জুলাই। ওইদিন দুদকে তার হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত সমস্যার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজির হননি।
গত ৯ জুন মিজান-বাছিরের ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনের একাধিক অডিও প্রকাশ করেন মিজান। এ বিষয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনও প্রচার হয়।
আর গত ২৩ জুন বাংলা ট্রিবিউনে ‘লন্ডন প্রবাসী দয়াছের অডিও সংলাপে দুদকের ওরা কারা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অডিও সংযুক্ত করা হয়। ঘুষ লেনদেন নিয়ে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল দয়াছ, ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক আব্দুল আজিজ ভুঁইয়ার মধ্যকার ওই অডিও সংলাপে ৬ জনের নাম আলোচিত হয়। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ঘুষ কেলেঙ্কারির অনুসন্ধান করা হবে।
গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনার অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আজিজ ভুইয়া ও দুদকের সাবেক পরিচালক জায়েদ হোসেন খানকে ৩০ জুন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।