সোমবার (১৫ জুলাই) মামলাটি রায় ঘোষণা দিন ধার্য ছিল। এদিন নোমানের পক্ষে তার আইনজীবী সাক্ষীকে পুনরায় জেরার আবেদন করেন। পরে আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন।
নোমানের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তাওহীদ এ তথ্য জানান।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নোমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালায় দুদক। ১৯৯৭ সালের ৭ আগস্ট তার সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ দেয় দুদক। কিন্তু তিনি সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেননি, এমনকি সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি।
এ ঘটনায় ১৯৯৮ সালের ১৯ আগস্ট ধানমন্ডি থানায় দুদকের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাহিদ বাদী হয়ে নোমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ২০০০ সালের ৩০ মে নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নোমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অভিযোগপত্রে আটজনের মধ্যে বিভিন্ন সময় সাত জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।