শুক্রবার (২৬ জুলাই) টিআইবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মসূচি ব্যবস্থাপক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগসাজসে জোর করে বরগুনায় নিহত রিফাতের স্ত্রী ও মামলার প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ মিন্নির বাবা ও তার আইনজীবীর। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় পুলিশের বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ দেশের আইনের শাসনের জন্য অশনিসংকেত মনে করছে টিআইবি।
বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণমাধ্যম সূত্রে পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী, আলোচিত এ অপরাধের ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মীরা আইন লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনৈতিক ও শুদ্ধাচার পরিপন্থী আচরণের মাধ্যমে একদিকে অপরাধী বা তাদের দোসরদের সঙ্গে যোগসাজসমূলক সুরক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে যারা অপরাধের শিকার তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের মাধ্যমে সাক্ষী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যে নিরাপত্তাহীনতার চিত্র প্রকাশিত হচ্ছে তাকে বিচ্ছন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার কোনও সুযোগ নেই। ঢালাওভাবে অস্বীকার করার যেমন অবকাশ নেই, তেমনি ‘বিভাগীয় পদক্ষেপের’ মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সময়ও ফুরিয়ে গেছে। এ ধরনের অপরাধের প্রতিকার না হলে সংবিধান স্বীকৃত ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।’
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই যে পুলিশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়, কিন্তু পুলিশের পেশাগত উৎকর্ষের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করা সম্ভব।’