সোমবার (২৯ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, কমিটির তদন্তের বিষয় হবে- ফেরিতে স্কুলছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএ অথবা বিআইডব্লিউটিসি’র কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি ছিল কিনা।
এছাড়া ওই কর্মকর্তার গাড়িতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্টিকার ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উনার গাড়িতে স্টিকার থেকে থাকলে তা আসলো কোথা থেকে?
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, অভিযুক্ত যুগ্ম সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কোনও কর্মকর্তা নন। এই মন্ত্রণালয়ে এই নামে কোনও কর্মকর্তা নেই। যতদূর জানা গেছে, তিনি যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ১ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্কুলছাত্র বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স। জানা যায়, সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আবদুল সবুর মণ্ডল পিরোজপুর থেকে ঢাকা যাবেন বলে ওই ফেরিকে অপেক্ষা করতে জেলা প্রশাসক ঘাট কর্তৃপক্ষকে বার্তা পাঠানো হয়। তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফেরিতে ওঠে অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু এর মধ্যে মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যায় স্কুলছাত্র তিতাস। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।
মারা যাওয়া ওই স্কুলছাত্রের নাম তিতাস ঘোষ (১১)। সে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পৌর এলাকার মৃত তাপস ঘোষের ছেলে। কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল তিতাস।
স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষ নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পৌর এলাকার মৃত তাপস ঘোষের ছেলে। কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে।