সোমবার (২৯ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে চেকটি হস্তান্তর করেন গ্রিনলাইন পরিবহনের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায়।
আদালত বলেন, বাকি ৪০ লাখ টাকা প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা কিস্তি করে রাসেলকে দিতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আদালত ১৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।
এর আগে ২৫ জুন রাসেলকে ক্ষতিপূরণের অবশিষ্ট ৪৫ লাখ টাকা কিস্তি আকারে প্রতিমাসে ৫ লাখ টাকা করে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে কিস্তির টাকা পরিশোধ করে ওই মাসের ১৫ তারিখ আদালতকে জানাতে এবং পরদিন ১৬ তারিখ মামলার শুনানির জন্য নির্ধারণ রেখেছিলেন আদালত। কিন্তু চলতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে রাসেল কিংবা গ্রিনলাইন পরিবহনের আইনজীবী যোগাযোগ না করার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করা হয় এবং পরিবহন কর্তৃপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ওজি উল্লাহ তার নাম প্রত্যাহার করে নেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচালক ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাইভেটকার চালক রাসেলের পায়ের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এ ঘটনায় সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমিপ উম্মে কুলসুম স্মৃতি ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। পরে আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত ২০ মার্চ রুল জারিসহ রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে রাসেলের চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে বহন করতে এবং তার কৃত্রিম পা লাগানোর ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন। এরপর রাসেলকে ৫ লাখ টাকার চেক ও তার কৃত্রিম পা সংযোজন করে পরিবহন কর্তৃপক্ষ।