মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন, গোলাম রাব্বানী ওরফে রাব্বী,তানজীল আলম।
সংশ্লিষ্ট ট্র্যাইবুনালের রাষ্টপক্ষের আইনজীবী আবু আব্দুল্লাহ ভুইয়া এ তথ্য জানান।
২০১২ সালের ৩০ জুলাই রাতে এম পারভেজ হাসানকে স্ট্রোক করে মারা গেছেন জানিয়ে লাশের গোসল শেষে জানাজা ও দাফন করার চেষ্টা করেন আসামিরা। তবে পরিবারের অভিযোগ, পারভেজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে পারভেজের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০১৪ সালের ২০ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন একই আদালত। এদিকে আরেক আসামি খোরশেদ আলম আগেই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় একই ট্র্যাইবুনাল।