তাজরীন গার্মেন্টসে আগুনে ১১১ শ্রমিক নিহতের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২৩ সেপ্টেম্বর

তাজরীন ফ্যাশনস গার্মেন্টস আগুনে ঝলসে যায়তাজরীন ফ্যাশনস গার্মেন্টসে আগুন লেগে ১১১ জন শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর। রবিবার (৪ আগস্ট) কেউ আদালতে সাক্ষী দিতে না এলে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন করে সময় আবেদন করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ এএম রেজা জাকেরের আদালত এ দিন ধার্য করেন। মামলাটিতে এ পর্যন্ত আট জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী নূর মোহাম্মদ বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান।

মামলার আসামিরা হলেন—প্রতিষ্ঠানের মালিক দেলোয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার, লোডার শামীম, স্টোর ইনচার্জ (সুতা) আল আমিন, সিকিউরিটি ইনচার্জ আনিসুর রহমান, সিকিউরিটি সুপারভাইজার আল আমিন, স্টোর ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম লাভলু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা দুলাল উদ্দিন, প্রকৌশলী এম মাহবুবুল মোর্শেদ, নিরাপত্তা প্রহরী রানা ওরফে আনোয়ারুল, ফ্যাক্টরি ম্যানেজার আবদুর রাজ্জাক, প্রোডাকশন ম্যানেজার মোবারক হোসেন মঞ্জুর ও শহীদুজ্জামান দুলাল। এদের মধ্যে রানা, রাজ্জাক, মঞ্জুর ও দুলাল পলাতক রয়েছেন।

২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তের পর ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক একেএম মহসীনুজ্জামান। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ভবনটির নকশায় ত্রুটি ছিল। জরুরি নির্গমনের পথ ছিল না। আগুন লাগার পর শ্রমিকরা বাইরে বের হতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা একে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া বলে শ্রমিকদের কাজে ফেরত পাঠিয়ে কলাপসিবল গেট লাগিয়ে দেয়।

গত ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন গার্মেন্টসে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ১১১ জন পোশাক শ্রমিক মারা যান।