র্যাবের ডিজি বলেন, ‘এই ঈদে অন্যান্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। সারাদেশে ১৮ হাজার পশুর হাট। এরমধ্যে সাড়ে ৫০০ হাট গুরুত্বপূর্ণ। আমরা হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বেপারিরা যেন নির্ভিঘ্নে পশু হাটে নিয়ে আসতে পারেন। পশু বিক্রির টাকা নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন এবং পশুর হাটে যেন নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত হাসিল কেউ আদায় না করতে পারেন, সেজন্য আমরা কাজ করছি। এছাড়াও মলমপার্টি, অজ্ঞানপার্টির দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। গতকালও এই চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করিছ।’
এলেঙ্গা এলাকায় যানজটের বিষয়ে র্যাবের ডিজি বলেন, ‘যমুনা ব্রিজ থেকে ফোর লেন রাস্তা এসে এলেঙ্গাতে টু-লেন হয়েছে। এছাড়া, সেখানে টোলপ্লাজা রয়েছে এজন্য সেখানে যানজট রয়েছে। তবে আমরা সবাই মিলে সেখানে গাড়ির প্রেসার কমানোর চেষ্টা করছি।’
আবহাওয়া খারাপ থাকলে কাউকে ঝুঁকি নিয়ে নৌ-পরিবহনে যাত্রী না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে র্যাব ডিজি বলেন, ‘‘দয়া করে ঝুঁকি নেবেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ‘অন ওয়ে জার্নি’ করার কোনও যুক্তি আছে বলে মনে করি না।’’
ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে র্যাবের ডিজি বলেন, ‘নিজের বাড়ি ও আঙিনা নিজেরাই পরিচ্ছন্ন রাখি। আমরা প্রত্যেকের ছোট কাজটি করি তাহলে ঝুঁকিমুক্ত থাকবো। ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যবস্থাগুলো রাখতে হবে। র্যাবের পক্ষ থেকে বিভিন্ন টার্মিনালগুলো ও বিভিন্ন নির্দিষ্ট পয়েন্টে বিনামূল্যে যাত্রীদের মশা প্রতিরোধক ক্রিম ওডোমস সরবরাহ করছি। তবে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় সবাইকে দিতে পারছি না।’
সারাদেশে ৪২টি এলাকা দুর্ঘটনাপ্রবণ উল্লেখ করে র্যাবের ডিজি বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। এসব এলাকায় বেশি দুর্ঘটনা হয়। ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা কম হয়, তবে ঈদ পরবর্তী দিনে ও ফেরার পথে বেশি দুর্ঘটনা হয়। এটা প্রতিরোধে চালক ও মালিকদের সচেতন হতে হবে।’
ঢাকা থেকে আগের মতো ঈদে মানুষ বাড়িতে যায় না বলেও র্যাবের ডিজি মনে করেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘হয়তো জনসংখ্যা বেড়েছে।’ খালি বাসাবাড়িতে র্যাব নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলেও তিনি জানান।