সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার দিকে ইতালি থেকে ঢাকায় আসেন বেলাল হোসেন ও মো. মশিউর। ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ সংগ্রহ করতে তারা ৪ নম্বর লাগেজ বেল্টে যান। অপেক্ষা করেও লাগেজ না পেয়ে অভিযোগ করেন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের কাছে। অভিযোগ পেয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা শুরু করেন আর্মড পুলিশের সদস্যরা।
ফুটেজে দেখা যায়, এক নারী লাগেজ দু’টি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। পরে পুলিশের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, আকলিমা নামের ওই নারীও একই দিন ভোরে সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটে ওমান থেকে ঢাকায় এসেছেন। তিনি লাগেজ নিয়ে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ডেমরায় চলে যান। বৃহস্পতিবার রাতে ডেমরার আমতলা এলকায় আকলিমার বাসায় অভিযান চালিয়ে লাগেজ দু’টি পায় পুলিশ। পরে লাগেজ দু’টি এর মালিকের কাছে দিয়ে দেয় পুলিশ।
তবে লাগেজ ফেরত পেয়ে বেলাল ও মশিউর আকলিমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালত আকলিমাকে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
মশিউর বলেন, ‘ইমিগ্রেশন শেষ করে আমি লাগেজ বেল্টে এসে বড় লাগেজটি পেলেও ছোটটি পাচ্ছিলাম না। ইন্টারনেটে ঢাকা এয়ারপোর্টে লাগেজ চুরির অনেক ভিডিও দেখেছি । আমিও এ ঘটনার শিকার হলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনও যাত্রী যে অন্য যাত্রীর ব্যাগ নিতে পারে এটা আমি ধারণাই করতে পারিনি। অবেশেষে ব্যাগ ফেরত পেলাম। এয়ারপোর্টে এভাবে সহায়তা পাবো এটা ধারণা করিনি।’
বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমরা যাত্রীদের যেকোনও অভিযোগই গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করি। যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা কৌশল কাজে লাগিয়ে লাগেজ দু’টি উদ্ধার করেছি।’
তিনি বলেন, ‘অনেক যাত্রীর ধারণা বিমানবন্দরের কেউ চুরি করেছে। এমন ধারণা থেকে তারা অভিযোগ করেন না। কিন্তু আমরা যাত্রীদের অনুরোধ করবো, তারা যেকোনও ঘটনায় যেন আমাদের কাছে অভিযোগ করেন।’