সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা পরিষদের কমিটির বৈঠকে মালিক-শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন আইন ভঙ্গের জন্য সাজার মেয়াদ কমানোর দাবিটি সরাসরি সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইনের সব ধারা জামিনযোগ্য করাসহ অর্থদণ্ড কমানো ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি করার দাবি ন্যায়বিচারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া অধিকাংশ দাবি সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় সুশাসন, ন্যায়বিচার, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার বিরোধী।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর এই সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে তুলনামূলক পর্যালোচনা ও সামঞ্জস্যের যুক্তি উল্লেখ করা হলেও পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের চাপে প্রভাবিত হয়েই যে আইনটিকে দুর্বল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, তা সহজেই বোধগম্য।’ প্রধানমন্ত্রীর ছয় নির্দেশনার আলোকে, আইনটির যথাযথ বাস্তবায়নে শিগগিরই এর বিধিমালা তৈরিরও আহ্বান জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।