সাত দেহরক্ষী হলেন, দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।
আদালতে আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী আবদুর রহমান হাওলাদার, শওকত ওসমানসহ আরও অনেকে জামিন আবেদন করেন। আর রাষ্ট্রপক্ষের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) শেখ রকিবুর রহমান জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করেন।
এর গত ২১ সেপ্টেম্বর শামীমের সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র আইনে মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২৬ সেপ্টেম্বর চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফজলুল হক (পরিদর্শক)। এরপর বিচারক হাবিবুর রহমান কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২০ সেপ্টেম্বর নিকেতনের ১১৩ নম্বর বাসা থেকে জি কে শামীমকে আটক করা হয়। এরপর নিকেতনে তার জি কে বিল্ডার্সের অফিসে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) কাগজ ও নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা জব্দ করে র্যাব। এছাড়া তার জিম্মা থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, দেহরক্ষীদের সাতটি শটগান-গুলি এবং কয়েক বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।