শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, হলের নিরাপত্তা নেই এই বিষয়ে প্রভোস্টকে জবাবদিহিতা করতে হবে। হলের মধ্যে রুম থেকে ডেকে নিয়ে কীভাবে একজন শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়। হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রভোস্ট। এ ঘটনায় দ্রুত মামলা এবং দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সহপাঠীরা জানান, হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন ছাত্র রবিবার রাত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে তাকে ডেকে নিয়ে যায়।এরপর গভীর রাতে হলের সিঁড়িতে মেলে তার লাশ।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগের চার জনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলো, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাউল ইসলাম জিওন এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার। এছাড়া হলের অনেক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
হলের করিডরে আবরারের নিঃশব্দ আহাজারি! (ফটোস্টোরি)
‘ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করেছে’
আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ
আবরার হত্যার বিচার চেয়ে সরব ফেসবুক