আপিলের শুনানি নিয়ে রবিবার (২৭ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
শুল্ক ফাঁকি ও চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মিজানকে আসামি করে গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকার রমনা থানায় মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। সেদিনই তাকে গ্রেফতার করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। ২৩ জানুয়ারি সিআইডির কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। পরে ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোরশেদ আল মামুন ভুইয়া।
ওই জামিন বাতিল চেয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করে বাদীপক্ষ। আদালত ২৫ জুন তার জামিন বাতিল করে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। কিন্তু মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ না করে দায়রা জজ আদালতের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্টে এই আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ হওয়ার পর তিনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন গত ১০ জুলাই।এরপর মিজান হাইকোর্টে জামিন আবেদন করে ১৪ জুলাই জামিন পান। কিন্তু সে জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। এই আবেদনের ওপর গত ২৮ অক্টোবর শুনানি শেষে চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে মিজানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে মিজানুর রহমানের আবেদন আপিল বিভাগে গেলে চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল রাখলেন আদালত।