আদালতে আবদুস সালামের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একেএম ফারহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাজধানীর বনানীর আবাসিক এলাকায় ৫ কাঠা জমির মালিক মো. সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুর পর উক্ত প্লট ওয়ারিশসূত্রে স্ত্রী বেগম রোকেয়া ইসলাম, ছেলে মো. এনামুল হক ও মো. একরামুল হক, মেয়ে আক্তার বানু ও নাহিদ আক্তার মালিক হন। ২০০৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর ডোমিনো প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য এনামুল হকের অনুমতি ছাড়াই চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। পরে ওই জমিতে ফ্লাট নির্মাণে ডোমিনোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। জমির আরেক অংশীদার এনামুল হক ২০০৫ থেকে ২০১০ পর্যন্ত লন্ডনে বসবাস করার সময় ডোমিনোর এমডি মো. আবদুস সালাম এনামুল হকের স্বাক্ষর জাল করে রাজউক থেকে ফ্ল্যাট নির্মাণের অনুমোদন করান।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আলী আকবর প্রাথমিক তদন্ত শেষে ৫ জনকে আসামি করে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন। আবদুস সালাম ছাড়াও মামলায় অন্য আসামিরা হলো- রাজউকের সাবেক অথরাইজড অফিসার ও বর্তমানে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামছুর রহমান, রাজউকের সাবেক অথরাইজড অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান ইমারত পরিদর্শক মুছলেম উদ্দিন ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী অমিত হাসান। মামলাটি তদন্ত অবস্থায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন।