আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জগলুল হায়দার আফ্রিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।
এই প্রসঙ্গে জগলুল হায়দার আফ্রিক বলেন, ‘নদী দখলের বিষয়ে নদী কমিশনসহ তিনটি তালিকায় অ্যাভোকেট আবদুল খালেকের নাম রয়েছে। তার বিষয়ে স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও তার প্রার্থিতা বৈধ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল হলেও নির্বাচন কমিশন আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। যা হাইকোর্টের রায়ের পরিপন্থী। ’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘এরপর বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রার্থী নুরুল হক হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করে আবদুল খালেককে নির্বাচন থেকে তিন মাসের জন্য বিরত রাখতে নির্দেশ দেন। আগামী ১২ ডিসেম্বর ওই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে এক রায়ে জাতীয় বা স্থানীয় কোনও ধরনের নির্বাচনে প্রার্থীর বিরুদ্ধে নদী দখলের অভিযোগ থাকলে তাকে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।