মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ তারা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী কাজী নজীবুল্লাহ হিরু জামিনের আবেদন করেন। আর দুদকের আইনজীবী মীর জাহাঙ্গীর আলম সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন।
আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০১৯ সালের ২৯ মে দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা করেন। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়,১৯৮০ সালে কামরুজ্জামান উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরে যোগদান করেন। তারপর নিয়মিত পদন্নোতির মাধ্যমে ২০১৬ সালে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই বছরে তিনি অবসরে যান। কামরুজ্জামান ৬৪ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ৩০ লাখ ৪২ হাজার ১১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন।
আর তার স্ত্রী নাসিমা জামান দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৩ হাজার ৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এবং ২ কোটি ৪ লাখ ৪ হাজার ১২৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও দখলে রেখে অপরাধ করেছেন।