প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আপনজনদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের ঘটনা সম্পর্কে জেনেছেন। যা তাকে লেখালেখিতে অনুপ্রাণিত করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম তার এই বই থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর ও তাদের দোসরদের নির্যাতনের চিত্র সম্পর্কে জানতে পারবে।’
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক প্রমুখ।