রবিবার (১ মার্চ) আইন শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানের পক্ষে রিটটি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। পরে তিনি বলেন, এ রিটের ওপর বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।
এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে। এতে বলা হয়, ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৯ শতাংশের বেশি লোনের ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট নিতে পারবেন না। আর মৌখিকভাবে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলো ৯ শতাংশের বেশি নিতে পারবেন না। আর আমানতকারী যারা টাকা রাখেন তাদের ৬ শতাংশের বেশি সুদ দেবে না।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই সার্কুলারে আমানতকারীদের বিষয়ে লিখিতভাবে কোনও নির্দেশনা নেই। তাছাড়াও সুদের হার কমানোর কারণে ২ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই কী পলিসি অনুযায়ী ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
রিটে সার্কুলারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও সার্কুলারটির কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে। রিটে অর্থ মন্ত্রণালয় সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ তিন জনকে বিবাদী করা হয়েছে।