আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তার শরীরের ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
এ নিয়ে একই পরিবারের তিনজনসহ এই ঘটনায় মোট পাঁচজন মারা গেলেন।
শহীদুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসী রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আর অগ্নিকাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার ভোরে ওই ভবনের সিঁড়ি থেকে তাদের সন্তান রুশদীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দিলু রোডের ওই ভবনের নিচতলায় গ্যারেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নির্বাপণ করে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজনের মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ জানতে উপপরিচালক আবুল হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস।