এর আগে গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট খোলার বিষয়ে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, করোনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খুব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির জন্য ছুটিকালীন বাংলাদেশ সু্প্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে বসবেন।
তাছাড়া ছুটিকালীন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক্ষেত্রের অতি জরুরি বিষয়গুলোর শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে জানানো হয়েছিল।
আদালত পরিচালনার কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নিয়ম-কানুন বিষয়ে বিচারপতি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন বলেও আগের আদেশে বলা হয়েছিল। তবে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর ফলে আদালত আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।