কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের আরও দুই কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

দুদক



মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কেনায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বেশ কিছু অভিযোগে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) আরও দুই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা হলেন- সিএমএসডি’র উপ-পরিচালক ও পিএন্ডসি ডা. জাকির হোসেন ও সিনিয়র স্টোরকিপার ইউসুফ ফকির। এছাড়া সিএমএসডির সাবেক-মেডিক্যাল অফিসার (চিফ কো-অর্ডিনেটর) ডা. জিয়াউল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, দু’জন এসে উপস্থিত হয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরও একজন আসবেন।


একই অভিযোগে ১৯ জুলাই সিএমএসডির তিন কর্মকর্তাদের দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন অনুসন্ধানকারী দল। তিন কর্মকর্তা হলেন- সাবেক সহকারী পরিচালক (মজুত ও বিতরণ) ও বর্তমানে সিএমএসডির সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. শাহজাহান, সাবেক ডেস্ক অফিসার-৮ ও স্টোরের অতিরিক্ত দায়িত্বরত ডা. সাব্বির আহম্মেদ এবং স্টোর অফিসার কবি সিএমএসডির এই ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯-এর চিকিৎসার জন্য নিন্মমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কেনাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে অন্যদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।