তিনি বলেন, ‘শনিবার বিকালে এনরোলমেন্ট কমিটির ভার্চুয়াল মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পূর্বের নির্ধারিত তারিখেই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ সময় বন্ধ থাকায় আমরা অন্যত্র পরীক্ষার হল নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সুতরাং ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা হচ্ছেই।’
পূর্বে শুধু মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে আইনজীবীদের সনদ প্রদান করা হতো। তবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের চাপ বাড়তে থাকায় আইনজীবী হতে বর্তমানে নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। আবার ওই তিন ধাপের যেকোনও একটি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা একবার উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী পরীক্ষায় তারা দ্বিতীয় ও শেষবারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
তবে দ্বিতীয়বারেও অনুত্তীর্ণ হলে তাদের পুনরায় শুরু থেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সেই অনুসারে ২০১৭ সালের ৩৪ হাজার শিক্ষর্থীর মধ্যে থেকে লিখিত পরীক্ষায় দ্বিতীয় ও শেষবারের মতো বাদ পড়া ৩ হাজার ৫৯০ শিক্ষার্থী এবং ২০২০ সালে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মধ্যে এমসিকিউ উত্তীর্ণ ৮ হাজার ৭৬৪ শিক্ষার্থীসহ মোট ১২ হাজার ৮৫৮ জন সনদ প্রত্যাশী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।
প্রসঙ্গত, আপিল বিভাগের রায় প্রতিপালন না করে অনিয়মিত পরীক্ষাগ্রহণ এবং খাতা রিভিউ সুবিধা প্রদান না করাসহ বেশ কিছু দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা। আন্দোলনের মুখে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় বার কাউন্সিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হওয়ায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাহী আদেশ দেন। তাই করোনা সংক্রমণের মধ্যে চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লিখিত পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে দাবি তুলেছিলেন পরীক্ষার্থীরা।