জিজ্ঞাসাবাদের পর প্লাবনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ওই নারী ও তার স্বামী প্লাবনের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি।
ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, পল্লবী থানাধীন বারানটেক এলাকার একটি বাসায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে বলে থানা পুলিশকে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশের একটি দল ওই বাসায় যায়। প্রায় আধঘণ্টা পর একজন গৃহকর্মী দরজা খুলে দেয়। পুলিশ সদস্যরা বাসায় আর কেউ আছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে ওই গৃহকর্মী ভেতরে কেউ নেই বলে জানায়। কিন্তু পুলিশ বাসার ভেতরে আরও লোকজনের উপস্থিতির বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘরে গিয়ে প্লাবন ও এক নারীকে পায়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় আনা হয়।
পুলিশ জানায়, ওই নারী প্লাবনকে তার আত্মীয় বলে পরিচয় দিয়েছেন। ওই নারীর স্বামীও প্লাবনকে চেনেন। তবে তার স্বামী বলেছেন, প্লাবন তাদের পরিচিত হলেও তার অবর্তমানে বাসায় আসার কথা নয়।
এদিকে প্লাবনের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, এক সহকর্মীকে বিয়ের নামে প্রতারণা ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রয়েছে। সাজিদা ইসলাম পারুল নামে এক নারী সাংবাদিক ওই মামলাটি দায়ের করেছেন। ওই মামলায় প্লাবন পলাতক আসামি বলে জানা গেছে।