গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো মাহাবুবুল হাসান (২৯), হাসানুর রহমান সবুজ (২২), সোহেল মিয়া ওরফে এমিলে (২৫) ও রোমন (২৩)।
মাহবুবুল আলম জানান, ৪ অক্টোবর বিকালে শাহবাগ থানার গণপূর্ত স্টাফ কোয়ার্টারের সামনের সড়কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স থামানো হয়। অ্যাম্বুলেন্স খুলে কাফনে মোড়ানে তিনটি লাশ দেখা যায়। ডিবির কাছে আগেই তথ্য ছিল এই গাড়িতে মাদক যাচ্ছে, তাই গাড়ি তল্লাশি করে পুলিশ। গাড়িতে যারা ছিল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় তারা স্বীকার করে লাশের আদলে মোড়ানো কাফনের কাপড়ের ভেতরে বস্তাভর্তি ফেনসিডিল। এর ভেতরে লাশ নেই। এরপর তারা কাফনের কাপড় ও বস্তা খুলে ফেনসিডিল বের করে দেয়।
কাফনে মোড়ানো তিন বস্তা থেকে ২ হাজার বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে ডিবি। লাশবাহী গাড়ির পেছনের একটি মাইক্রোবাসে ছিল মাদক কারবারিরা। তাদেরও গ্রেফতার করা হয়। দুটি গাড়িই জব্দ করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে জানায়, কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেনসিডিল সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে আসেন। এরপর ফেনসিডিলগুলো সুযোগ বুঝে তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করেন। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে।