একই অনুষ্ঠানে ‘দূষিত না করাই একমাত্র সমাধান’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুপ্রিম কোর্টের তরুণ আইনজীবীরা ‘কাউন্সেল অন সাইকেল’ নামে একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু করেন।
বিচারপতি আশরাফুল কামাল বলেন, ‘সাইকেল একটি পরিবেশবান্ধব বাহন। এতে কোনও তেল খরচ হয় না। আমি নিজেও সাইকেলে কোর্টে আসতে চাই। চেষ্টা করছি শিগগিরই একটা সাইকেল কিনে বাসা থেকে কোর্টে আসবো। চাইলে আমরা মাঝে মাঝেই আসতে পারি, তাতে অসুবিধা কী!’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইকেলের ব্যবহার করতে পারলে সরকারের জ্বালানি খরচ বাঁচবে। আমাদের (বিচারপতিরা) বাসা থেকে একশ’ গাড়ি যখন কোর্টে আসে তখন কিন্তু একটা যানজটেরও সৃষ্টি হয়। যেটা সামলানো সাংঘাতিক।’
অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখনই সড়ক পরিবহন সচিবকে সাইকেলের জন্য আলাদা লেন করার অনুরোধ করবো, কম করে হলেও ঢাকা শহরে সড়কগুলোর কিছু অংশে যেন আলাদা সাইকেলের জন্য লেন করেন। আশা করি এটা করা যাবে। সাইকেলিংয়ের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি থেকে করা হবে।’
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঞ্চালনায় এই সময় আরও বক্তব্য রাখেন ‘কাউন্সেল অন সাইকেল’ সংগঠনের কো-কনভেনার ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ ফারুক, মাহফুজ বিন ইউসুফ, সদস্য ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, মেহেদী হাসান, কাজী আক্তার হোসেনসহ অন্যান্য আইনজীবী।