এই মামলার আসামিরা হলেন- নিহত শামসুন্নাহারের স্বামী আব্দুল করিম, করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও মুক্তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি। এর আগে ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক মো. আলী হোসেন ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে এই অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/১ নম্বর বাড়িতে শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার ছেলে শাওনকে (‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী) গলাকেটে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আদা, রসুন ও পেঁয়াজের আমদানিকারক।
ওই ঘটনায় পরের দিন ২ নভেম্বর নিহতের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।