করোনা টেস্ট জালিয়াতি

আরিফ-সাবরিনাসহ আসামিদের পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২৬ জানুয়ারি

করোনাভাইরাস পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফুল হক চৌধুরী ও চেয়ারম্যান সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত এই আদেশ দেন। এদিন সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। আদালত ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইতোমধ্যে মামলাটিতে মোট ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আরিফ-সাবরিনাসহ মামলার অপর আসামিরা হলো: আবু সাঈদ চৌধুরী, হিমু, তানজিলা, বিপুল, শফিকুল ইসলাম রোমিও এবং জেবুন্নেসা। অভিযুক্তদের মধ্যে হিমু, তানজিলা ও রোমিও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

গত বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারী আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর আগে গত ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরের সাবরিনা ও আরিফসহ আট জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটটি দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, এই মামলায় গত ২২ জুন জেকেজির সাবেক গ্রাফিক্স ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু এবং তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে আটক করে পুলিশ। হিরু স্বীকারোক্তি দিয়ে জানান, তিনি ভুয়া করোনা সার্টিফিকেটের ডিজাইন তৈরি করতেন, যার সঙ্গে জেকেজি গ্রুপের লোকজন জড়িত। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জেকেজির সিইও আরিফুলসহ চার জনকে আটক করা হয়। সিইও জানায়, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর পুরো বিষয়টি জানতেন।। এরপর গত ২৩ জুন আরিফ চৌধুরীকে এবং ১২ জুলাই ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন:
কাঠগড়ায় ‘বিচলিত’ ছিলেন সাবরিনা

ক্ষেপে গিয়ে আরিফকে দোষারোপ সাবরিনার

ডা. সাবরিনা তার ফেসভ্যালু ক্যাপিটালাইজ করেছে: ডিবি

করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট: জেকেজিকে বাদ দিলো স্বাস্থ্য অধিদফতর

করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট প্রদান চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার 

টাকার বিনিময়ে রিপোর্ট: উপসর্গ থাকলে পজিটিভ, না থাকলে নেগেটিভ