বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি

রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। অপরদিকে আরেক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সহকারী কর্মকর্তা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে প্রধান আসামিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড চলাকালে হাজির করেন। এই সময় সে স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আজ প্রধান আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালতে আরেক আসামিকে রিমান্ড শেষে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি বিকালে মামলার প্রধান আসামি ভুক্তভোগী তরুণীকে নিয়ে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আসামি ও তার বন্ধুরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান। এরপর ভুক্তভোগীকে আরেক বান্ধবীর বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে প্রধান আসামি। পরের দিন ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে ইবনে সিনা এবং পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করে। দুই দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত রবিবার (৩১ জানুয়ারি) তরুণীর মৃত্যু হয়।