রাজধানীর ভাটারায় রিগ্যান রোজারিও (২৫) নামে এক যুবককে বাসায় ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা হত্যা মামলায় বাবা ও মেয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে।
আসামিরা হলেন— জীবন গোমেজ (৫৫) ও তার মেয়ে প্রিয়াংকা গোমেজ (২১)।
মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) ভাটারা থানার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এরপর আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে তা রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকি বিল্লাহর আদালত জীবন গোমেজের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। আর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত প্রিয়াংকা গোমেজের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের দু’জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, রিগ্যান রোজারিও গুলশানে একটি মুদি দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৭ আগস্ট বাসা থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যান তিনি। রাত ৮টার পর কোনও এক সময়ে রিগ্যান জীবন গোমেজের বাসায় যান। এর আগে রিগ্যান তার বড় বোনকে ফোন করে জানান, তিনি একটি দাওয়াতে যাচ্ছেন। জীবনের বাসায় যাওয়ার পর রিগ্যান মদ পান করেন। মদ্যপ অবস্থায় রিগ্যানকে মারপিট করেন জীবন। এতে রিগ্যানের মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ টয়লেটে আটকে রেখে বাসায় তালা দিয়ে বাবা ও মেয়ে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় নিজেদের গ্রামের বাড়িতে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় রিগ্যানের বোন আলো রোজারিও ভাটারা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।