স্বর্ণ ডাকাতিতে জড়িত আরও একজন স্পিডবোটসহ গ্রেফতার

স্বর্ণ ডাকাতিতে জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এসময় স্বর্ণ লুণ্ঠন ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি স্পিডবোট জব্দ করা হয়। গত মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার থেকে সুমন মিয়া নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ইমাম হোসেন এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ঢাকাভিত্তিক দলের এই চক্রটি চলাচলের সুবিধার জন্য স্পিডবোট ব্যবহার করতো। তারা বিশেষ করে নদীপথকেন্দ্রিক যেসব বাজার এবং স্বর্ণের দোকান রয়েছে এগুলোকে টার্গেট করতো। নদীর কাছাকাছি মার্কেট কিংবা বাজারগুলোতে ডাকাতি শেষে স্পিডবোটে পালিয়ে যেতো। এজন্যই তরা মূলত  রাজধানীর আশপাশে আশুলিয়া এবং মুন্সিগঞ্জ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় একাধিকবার ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে। ডাকার দলের এই চক্র ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,  কুমিল্লা বরিশালসহ ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার আশুলিয়ার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নয়ার হাট বাজারে ১৯টি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত স্পিডবোটের চালক শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে স্পিডবোট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ডাকাতিতে জড়িত দানিশ ফকির নামে আরও একজনকে ২৫ সেপ্টেম্বর মাওয়া ঘাট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এসব মামলায় ১০ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেয়। গ্রেফতারকৃত ১০ জনের জবানবন্দিতে ধানমন্ডির রাপা প্লাজায় ডাকাতির মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় যারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সবাই আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বর্ণ ডাকাতি এবং স্বর্ণ কেনা-বেচায় জড়িত। এ ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদেরকেও অভিযান পরিচালনা করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।